Lamborghini Huracán LP 610-4 t
Home
About
Contact
Logo
সর্বশেষ ব্লগপোস্ট গুলো

এবার বিশ্বকাপ ফুটবলে কি কি প্রযুক্রি ব্যাবহার করা হয়েছে দেখুন

এবার বিশ্বকাপ ফুটবলে কি কি প্রযুক্রি ব্যাবহার করা হয়েছে দেখুন
আমি আজ আপনাদের সামনে এইবারের ফুটবল ২০১৮ বিশ্বাকাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তির তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছি। যদিও এই বিষয়ে পোস্টটি আমার আরো আগে করা উচিত ছিল। কিন্তু একটু দেরি করে ফেলেছি। তবুও একটু দেরি হলেও এইবারের প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনে নেই। এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। যেকোনো কাজে ক্ষেত্রে কাজকে সহজভাবে সম্পাদন করতে প্রযুক্তির গুরুত্ব এখন অপরিসীম। যার ব্যবহার আমরা বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে দেখতে পাই। বিশেষ করে এইবারের ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে অনেক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। যার কারণে অনেক কঠিন কাজ এখন সহজ হয়ে গিয়েছে। আপনাদের মাঝে অনেকে হয়তো দেখে থাকবেন ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেনটিনার জনপ্রিয় খেলোয়াড় দিয়েগো মেরাডোনার হাত দ্বারা দেওয়া সেই বিখ্যাত গোল। কিন্তু আজকের দুয়িয়ায় কি এটা সম্ভব? আমি জানি আপনাদের উত্তর হবে সম্ভব না। কেন না দিনে দিনে প্রযুক্তি এই ফুটবলকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। তো চলুন নিচে থেকে এইবারের ফুটবল বিশ্বকাপে কী কী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে তা বিস্তারিতভাবে জানা যাক। গতবার আমরা দেখে ছিলাম গোল লাইন প্রযুক্তি। এবার তার সাথে নতুন করে একটি প্রযুক্তি দেখতে পাচ্ছি “ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান রেফারি।” ফিফার ওয়েবসাইট অনুযায়ী এইবারের ফুটবল বিশ্বকাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলো নিচে বাংলা ভাষায় সুন্দরভাবে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। গোল লাইন প্রযুক্তি : ২০১৪ সালে এই প্রযুক্তির প্রথম সুবিধা পেয়েছিলো ফ্রান্সের করিম বেনজেমা। দুটি পদ্ধতিতে এই গোল লাইন প্রযুক্তি কাজ করে গোলরেফ এবং হক-আই। হক- আই ১৪ টি হাই স্পিড ক্যামেরার সাহায্যে গোল পোস্টে নজর রাখে। গোল লাইন পার হওয়ার সাথে সাথে তা রেফারিকে সংকেত পাঠায়। আর গোল রেফ প্রযুক্তিতে বলে বিশেষ একধরনের সার্কিট থাকে যা গোললাইন অতিক্রম করলেই চুম্বকীয় মান বদলে যায় এবং কম্পিউটার সাথে সাথে রেফারিকে তা অবগত করে। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি/ফুটবলের থার্ড আম্পায়ার : গতবারের গোললাইন সাফল্যের পর আরো নতুন প্রযুক্তির খোঁজে নামে ফিফা। কয়েকশো ম্যাচের উপর নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত ভিডিও রেফারি বা ফুটবলের থার্ড আম্পায়ারের সাহয্য নেওয়া হয়েছে। মাঠের বাইরে টিভিতে একদল রেফারি খেলা পর্যবেক্ষণ করে এবং মাঠের রেফারিকে জানান। মাঠের রেফারি চাইলে রিভিউ বা ফুটবলের থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নিতে পারেন। কোচের জন্যও থাকবে প্রযুক্তি : কোচের জন্যও একটি প্রযুক্তি হলো ইলেকট্রনিক পারফরম্যান্স অ্যান্ড ট্র্যাকিং সিস্টেমস (ইপিটিএস)। এ প্রযুক্তি কোচের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে থাকে। খেলা চলাকালীন সময়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের ভিডিও সংরক্ষণ করা হয় এবং ভিডিও বিশ্লেষক ও চিকিৎসকদের দেওয়া হয়। কোচ চাইলে ভিডিও দেখে নানান সিদ্ধান্ত নিতে পারে। খেলোয়াড়দের পর্যবেক্ষণে সেন্সর : এইবারের আসরে খেলোয়াড়রা বিশেষ এক ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করতে পারতেছেন। যার ফলে রিয়াল টাইম ফিটনেস জানা যায়। প্রথমে ফিফা আপত্তি জানালেও পরে নীতিমালা পরিবর্তন করে অনুমোদন দেওয়া হয়। ঘরে বসে মাঠের আমেজ : মাঠের আমেজ ঘরে বসে যেন দর্শকরা পায় তার জন্য বিবিসি স্পোর্টস সরাসরি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং ফোরকে স্ট্রিম সিস্টেম করেছে। তো যাদের ভিআর আছে তারা হয়তো অনেকেই ভিআর দিয়ে খেলা দেখতেছেন। আপনিও চাইলে দেখতে পারবেন। মাঠে না গিয়েও একদম মাঠে বসে খেলা দেখার মত ঘরে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও ভিআর দিয়ে খেলা দেখলে শব্দটাও পাবেন একদম মাঠের আমেজের মত। এইবারের ফুটবল বিশ্বকাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তির কথা পড়তে পড়তে আমরা একদম পোস্টের শেষপ্রান্তে চলে এসেছি। অর্থাৎ আজকের এই বিষয়ের উপর আলোচনা শেষ হয়ে গেছে। আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে একেএকে এইবার ফুটবল বিশ্বকাপে ব্যবহৃত কয়েকটি প্রযুক্তি সম্পর্কে জানলাম। তো কেমন লাগলো আমার আজকের এই পোস্টটি? তা কিন্তু কমেন্ট করে জানাতো ভুলবেন না।
Back to posts
This post has no comments - be the first one!

UNDER MAINTENANCE
CONTACT
 facebook
  gmail
 twitter
 message
  call  ,  call 2
CRADIT
© Copyright - 2019
This website
create with xtgem
Designed By IA SOYEB
Symptoma.ro